July 28, 2026, 9:43 am
শিরোনাম :
যশোর চৌগাছায় ৫১ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ যশোর সীমান্তে বিজিবির অভিযানে গাঁজাসহ ২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ যশোরে ট্রপিক্যাল মেডিকেল স্টোরে অভিযান, প্যাথিডিনসহ দোকান মালিক আটক যশোরে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকার সোনার বারসহ আটক ১ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে যশোরে স্বেচ্ছাসেবক দলের গণসমাবেশ যবিপ্রবির নতুন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দিলেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান যশোরে বিএসপির প্রয়াত কবিদের স্মরণে বৃক্ষরোপণ যশোরস্থ সাতক্ষীরা কল্যাণ সমিতির কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত যশোর উপশহরে এবার ৭ মাদক কারবারিকে ধরে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা গুজব-অপপ্রচার রোধে নৈতিক শিক্ষার প্রসার জরুরি : প্রতিমন্ত্রী অমিত

যশোর নাভারণে ফের সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা, আতঙ্কে স্থানীয়রা

যশোর প্রতিনিধি

যশোর নাভারণে ফের সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা, আতঙ্কে স্থানীয়রা
যশোর প্রতিনিধি  
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার নাভারণ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর তারা এলাকায় ফিরে এসে প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন।
এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাভারণ ইউনিয়নের রঘুনাথপুর ডাঙ্গী গ্রামকে কেন্দ্র করে কয়েকজন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী এলাকায় অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি কাশেম শিকদার, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রবি শিকদার, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান শিকদার, ইয়াসিন শিকদার, আবুল কালাম ও আলাল উদ্দিনসহ আরও কয়েকজন।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এসব ব্যক্তিরা স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে সালিশ বাণিজ্য, জমি দখল, চাঁদাবাজি, হামলা-মামলাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারা আবারও এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠেছেন এবং বিরোধী মতের লোকজনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় হামলা ও দমন-পীড়নের ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজন নেতা এখনও গ্রেপ্তার হননি। তারা প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। এ কারণে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের আরও দাবি, কাশেম শিকদার ও আবুল কালাম অর্থের বিনিময়ে প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় অবস্থান করছেন। তাদের বিরুদ্ধে অতীতে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানির নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে এলাকায় এখনও ভয়ের পরিবেশ বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেন একাধিক বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী হিসেবে দাবি করা বাগ গ্রামের বিএনপি কর্মী রেজাউল ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালে তার প্রায় পাঁচ শতক জমি জোরপূর্বক দখল করে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় কাশেম শিকদার ও রবি শিকদারের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও করেন তিনি।
তবে অভিযুক্তদের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া বলেন, “আমি এখানে নতুন যোগদান করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযোগগুলোর সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।